
মো: জিহাদ সরকার,
ঢাকা: মেধা, সৃজনশীলতা ও বৈজ্ঞানিক চিন্তার একটি অসাধারণ মিলনমেলার মাধ্যমে ‘ন্যাশনাল সায়েন্স এক্লিপ্স ২০২৬’ শেষ হলো। ইউনাইটেড ইয়ুথ ফোরাম অব সায়েন্স অ্যান্ড রিসার্চ (UYFSR)-এর আয়োজনে গত ২৩ এপ্রিল ঢাকার ধানমন্ডি ২৭-এ অবস্থিত পেন্টাগন গ্রুপে উৎসবমুখর পরিবেশে এই ইভেন্টের সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিজ্ঞানের জয়গান ও উদ্ভাবনী চিন্তা: গত ১৬–১৮ এপ্রিল অনলাইনে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানটি দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল ‘ওপেন সেগমেন্ট’ এবং ‘সায়েন্টিফিক পেপার সাবমিশন’। এই অংশে শিক্ষার্থীরা তাদের মৌলিক গবেষণা, উদ্ভাবনী আইডিয়া এবং বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করে নিজেদের মেধার গভীরতা তুলে ধরেন।
‘বিজ্ঞান মানে প্রশ্ন করার সাহস’: সমাপনী পর্বে বক্তারা তরুণদের অনুপ্রেরণা দিতে বলেন, "বিজ্ঞান মানে শুধু উত্তর জানা নয়, এটি কৌতূহল এবং প্রশ্ন করার মানসিকতা।" বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা যে কেবল পাঠ্যবই নির্ভর নয়, বরং বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীল চিন্তার মাধ্যমে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে, তা প্রতিযোগীদের উপস্থাপনায় স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
বর্ণাঢ্য আয়োজন ও সহযোগী প্রতিষ্ঠান: অনুষ্ঠানটি সফল করতে সহ-সংগঠক হিসেবে যুক্ত ছিল লার্নিং অ্যান্ড স্টাডি অর্গানাইজেশন, অ্যাস্ট্রোস্ফিয়ার এবং ইয়াসিরিয়ান্স। পুরো আয়োজনে পার্টনার হিসেবে ছিল:
• ভেন্যু পার্টনার: কিডলন (লেভেল ১১, পেন্টাগন গ্রুপ)
• ওয়ার্কশপ পার্টনার: টুইম্বল
• মিডিয়া পার্টনার: টেজফিড, মোশন বিডি ও বি ইকুয়াল
• ক্রিয়েটিভ পার্টনার: দ্য ফোকাল ভাইব
• এডুকেশন পার্টনার: মেজোলজি
বিজয়ীদের সম্মাননা: অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, জ্যোতির্বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড, আইটি কুইজ, আইকিউ ম্যানিয়া এবং ফিউচার আইডিয়া শোকেসসহ বিভিন্ন সেগমেন্টে বিজয়ীদের মাঝে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন ওয়ার্কশপ ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অংশগ্রহণকারীদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সব মিলিয়ে, ‘ন্যাশনাল সায়েন্স এক্লিপ্স ২০২৬’ প্রমাণ করেছে যে, সঠিক প্ল্যাটফর্ম পেলে বাংলাদেশের তরুণ গবেষকরা আগামীর বৈজ্ঞানিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নতুন বিশ্ব গড়তে সক্ষম হবে।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।